কোথায়-কবে শুরু হবে ট্রাইব্যুনালের কাজ? 'ডিলিটেড' ভোটারদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারল না কমিশন!

বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে তৃতীয় সম্পূরক বা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। তাতেও বহু সংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়েছে। আর এ দিকে ভোটের দিন এগিয়ে আসছে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল। আর তথ্য বলছে, খসড়া তালিকার তুলনায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ গেছে চূড়ান্ত তালিকায়। এখন তার সঙ্গে আরও প্রায় ১৪ লক্ষ জুড়লে সংখ্যাটা ৭৭ লক্ষ ছাপিয়ে যাচ্ছে। সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বলা হচ্ছে প্রতিকারের জন্য ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। তবে মূল চিন্তার বিষয় এখানেই।

শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর, ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও তার কাজ আদতে কোথায় হবে, সেই জায়গাই এখনও পর্যন্ত ঠিক করে উঠতে পারেনি কমিশন। শুধু তাই নয়, ট্রাইব্যুনালের কাজ কবে থেকে শুরু হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

কমিশন সূত্রে খবর, নিউটাউনে জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমি, হিডকোর অফিস এবং সল্টলেক স্টেডিয়াম - এই তিনটি জায়গা দেখতে গেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। কিন্তু কোনও জায়গাই তাঁদের পছন্দ হয়নি। তাই এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে জানা গেছে, জোকাতে একটি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস রয়েছে, ওই অফিসে প্রাথমিকভাবে পছন্দ হয়েছে জুডিশিয়াল অফিসারদের। যদিও সেটি নিয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন, উপযুক্ত নথি রয়েছে এমন ডিলিটেড ভোটারদের কী হবে? কমিশন জানিয়েছিল, অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআই-নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা সম্ভব। আর প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় থাকছেন এক জন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এভাবে কমিশন বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম সরাসরি ভোটার তালিকা থেকে বাদ দি স্বাভাবিকভাবে দ্রুত ট্রাইবুনারের কাজ শুরু না হলে এই কেসগুলোর নিষ্পত্তি হওয়ার কোন হওয়ার কোন জায়গা নেই।

এদিকে মানুষ কিভাবে আবেদন করবেন কোথায় যাবেন কোন কোন নথি দিতে হবে এ সম্পর্কে কোন এসবই বা নির্দিষ্ট বৃদ্ধি তৈরি করেনি কমিশন। স্বাভাবিকভাবে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বারবার আশ্বস্ত করলেও বাস্তবে গিয়ে দেখা যাচ্ছে মানুষের সুরাহার জন্য সঠিক কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। 

Post a Comment

0 Comments