বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সম্পূরক বা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। এ দিন রাতেই দেখা গিয়েছে, মালদার হরিশচন্দ্রপুর ৪৬ নম্বর বিধানসভার অধীন ১২১ নম্বর অংশ অর্থাৎ ভৈরবপুর গ্রামের ৫০০ জনের বেশি নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। যদিও এই অংশের সংযোজিত তালিকা সার্চ করলে দেখা যাচ্ছে ২৭ তারিখ বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক কর্তৃক কোনও সুরাহা হয়নি। অথচ একই অংশের মুছে ফেলা ভোটারদের তালিকা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে থেকে দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে লিস্ট ডাউনলোড করতেই চোখ কপালে উঠবে। দেখা যাচ্ছে, এই গ্রামের একটি অংশ বা বুথের ৫২৭ জনের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সকলেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত।এখানেই শেষ নয়, আমি আরেকটি ভূত রয়েছে তার অংশ নম্বর ১২২। এই বুথে ৫৪৯ জন এর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। পুরো গ্রামের ১ হাজার ৭৬ জনের নাম মুছে ফেলা হয়েছে ।
নির্বাচন কমিশনের এমন কাজ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু মানুষ আপত্তি তুলেছেন। অনেকের প্রশ্ন তাহলে কি বেছে বেছে সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং দলিতদের নাম বাদ দিতে চাইছে কমিশন? একই অংশের কার নাম সংযোজিত হল তার তালিকা নেই, অথচ কাদের নাম বাদ গেল সেই তালিকা প্রকাশিত হয়ে গেল?
পার্ক সার্কাস ধরনামঞ্চ থেকে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচন কমিশন এভাবে মানুষের সমস্ত কিছু কেড়ে নিতে চাইছে এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আর ঠিক এই কারণেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বহু সংগঠনের নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, আজ শনিবার কলকাতার পার্ক সার্কাস ময়দান থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর অভিযান করবেন গণসংগঠনের নেতৃত্ব। একটি বিশাল মিছিল হবে। কমিশনে ডেপুটেশন দেওয়া হবে বলে খবর।

0 Comments