বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: রাজ্যের প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হচ্ছে আরও ২০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার। তবে কমিশন সূত্রে খবর, আগামী পরশুই তাঁদের রাজ্যে পৌঁছনোর কথা। মূলত দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলাকে পাখির চোখ করেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত মোট ৬০ লক্ষ ‘বিচারাধীন’ বা আন্ডার এডজুডিকেশন ভোটারের মধ্যে মাত্র সাড়ে ৬ লক্ষ নাম খতিয়ে দেখার কাজ বা ‘অ্যাডজুডিকেশন’ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, নিষ্পত্তির অর্থই চূড়ান্ত তালিকায় নাম উঠে আসা নয়। অর্থাৎ নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর যাঁদের দাবি বৈধ প্রমাণিত হবে, কেবল তাঁদেরই ঠাঁই হবে মূল তালিকায়।
জানা গিয়েছে, বর্তমানে রাজ্যে ৫০৫ জন জুডিশিয়াল অফিসার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সামলাচ্ছেন। কিন্তু কাজের বিপুল চাপের কথা মাথায় রেখেই প্রতিবেশী দুই রাজ্য থেকে ১০০ জন করে মোট ২০০ জন অফিসারকে আনা হচ্ছে। কমিশনের লক্ষ্য, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই এই তালিকার জট যতটা সম্ভব কাটিয়ে ফেলা। ভিনরাজ্য থেকে আসা এই অফিসারদের মূলত আটটি জেলায় মোতায়েন করা হবে। জেলাগুলি হল, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলি, বীরভূম এবং নদিয়া।
জানা গিয়েছে, যে সমস্ত জুডিশিয়াল অফিসাররা SIR-এর কাজ করছেন, তাঁরা শেষ পর্যায়ের কিছু নথি খতিয়ে দেখছেন এবং তা দেখা শেষ হলে তবেই নিষ্পত্তি হবে সেই নথিগুলির। এখনও পর্যন্ত এই পর্যায়ে থাকা নামগুলিই হল 'অ্যাডজুডিকেটেড', যেই সংখ্যাটা ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর যে চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছে, ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ মানুষের, তার মধ্য়েই এই নামগুলি রয়েছে, যাঁদের ভোটার তালিকায় নাম ওঠাটা এখনও চূড়ান্ত নয়।

0 Comments