জাহানারা খাতুন
বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি ২০২৬; AIUTUC অনুমোদিত কলকাতা সাবার্বান বাইক ট্যাক্সি অপারেটরস ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাইক ট্যাক্সি চালকদের 'ন্যায়সঙ্গত' দাবিতে পরিবহনমন্ত্রীকে ডেপুটেশন দেয়া হয়। দাবি করা হয়েছে, বাইক ট্যাক্সি চালকদের পরিবহন শ্রমিকের স্বীকৃতি দিয়ে সামাজিক সুরক্ষা যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, এগ্রিগেটর বা সার্ভিস প্রোভাইডারদের নিয়ন্ত্রণে এনে, যাত্রী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, বাইক ট্যাক্সি পরিষেবাতে রেজিস্ট্রিকৃত বাইক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে- সহ দশ দফা দাবিতে পরিবহন দফতরের অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
গণেশচন্দ্র এভিনিউতে জমায়েত হয়ে শতাধিক বাইক ট্যাক্সিচালক বাইক নিয়ে মিছিল করে পরিবহন দফতরের সামনে যায়, পুলিশ বাধা দিলে তারা ওখানেই সভা পরিচালনা করে। সভাস্থল থেকে সম্পাদক দেবু সাউ-এর নেতৃত্বে পাঁচ জনের প্রতিনিধিদল ডেপুটেশন দিতে যায়। পরিবহন মন্ত্রী না থাকায় পরিবহন ডিরেক্টর অরিন্দম মুখার্জী স্মারকলিপি গ্রহণ করেন এবং ১০ দফা দাবির, যৌক্তিকতা মেনে নেন। এই দাবি গুলির ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি শান্তি ঘোষ, সহ-সভাপতি মলয় পাল সহ একাধিক বাইক ট্যাক্সি চালক। শান্তি ঘোষ, পরিবহন বিধি অমান্যকারী সার্ভিস প্রোভাইডারদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের পরিবহন দপ্তর কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না কেন বলে প্রশ্ন তুলে বলেন দাস ব্যবস্থার মত আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে এ্যপ ক্যাবের মালিকরা বাইক চালকদের আইডি ব্লক করে দিচ্ছে। পথ দুর্ঘটনায় পীড়িত যাত্রী ও চালকের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের কোন দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। সর্বোপরি সামাজিক সুরক্ষা যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ থাকলেও সার্ভিস প্রোভাইডাররা সেই সুযোগ বাইক চালকদের না দিয়ে অল নথিভুক্ত বাইক হায়ার করে যাত্রী নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে চলেছে। দাবি না মানলে বাইক ট্যাক্সি চালকদের আরো বৃহত্তর আন্দোলনে যাব বলে বলেন।

0 Comments