বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: অভিযোগ, বাংলাদেশি দাগিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপর আদালতের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের সুতি ও সামশেরগঞ্জ বিধানসভা এলাকার চারজন মুক্তি পেলেন। জানা গিয়েছে, সাফিকুল ইসলাম, সাবির শেখ, নাসিরউদ্দিন শেখ এবং লাল্টু শেখ মিলিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ২৩জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন সফিকুলরা, যাঁদের বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে ছত্তিশগড়ে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনকে আগেই মুক্তি দেওয়া হলেও, এই চারজনের নাম SIR-এর Adjudication এ থাকায় তাঁরা আটক ছিলেন।
এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ অধ্যাপক সামিরুল ইসলামের বক্তব্য- "সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, ছত্তিশগড় প্রশাসন মুর্শিদাবাদের জেলাশাসকের কাছে তাঁরা মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা কিনা জানতে চেয়ে একটি রিপোর্ট চেয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন সেই রিপোর্ট দেয়নি। ফলে পরিবারের সদস্যদের মহামান্য কলকাতা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত আদালতের হস্তক্ষেপের পরই ওই চারজন মুক্তি পান। "
সামিরুল ইসলাম নিজের ফেইসবুকে আরও লেখেন- "আমি সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের মনে করিয়ে দিতে চাই, নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা তাঁদের দায়িত্বেরই অংশ। কোনও জেলার বাসিন্দাকে নিয়ে অন্য কোনও প্রশাসন রিপোর্ট চাইলে, রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রকৃত ও তথ্যভিত্তিক রিপোর্ট দেওয়া উচিত। জেলাশাসক এবং প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকদের নিরপেক্ষভাবে জেলার মানুষের সেবা করার কথা। এই ধরনের পরিস্থিতিতে নাগরিকদের সাহায্য করা কোনও দয়া বা অনুগ্রহ নয়; এটি প্রশাসনিক দায়িত্ব। আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের বিচারব্যবস্থাকে যা আমাদের জন্য শেষ আশার আলো।"

0 Comments