'পুশ ব্যাক'-এর নাম ভারতীয়দের হয়রানি করা চলবে না, স্পষ্টবার্তা বাম বিধায়ক রানার

বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: এ দিন বাম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রানার একটি বক্তব্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা খবর প্রচারিত হচ্ছে।  বলা হচ্ছে যে, রাজ্য রাজনীতিতে এতদিনের চেনা অবস্থান থেকে কি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল আলিমুদ্দিন! এমনিতেই 'পুশ ব্যাক' নীতির কড়া বিরোধিতা করে এসেছে সিপিআইএম। কিন্তু এবার খোদ বিধানসভার অন্দরে দলের একমাত্র বিধায়কের গলাতেই শোনা গেল উল্টো সুর। আসলে তা নয়।  অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পুশ ব্যাক বা ফেরত পাঠানোর পক্ষে সওয়াল করেন ডোমকলের বাম বিধায়ক। অবশ্য তিনি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন।  

বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন ডোমকলের সিপিআইএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পুশ ব্যাক করা হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। বাম বিধায়কের দাবি, সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যেন এই প্রক্রিয়ার চক্করে পড়ে একজনও বৈধ ভারতীয় নাগরিককে পুশ ব্যাক না করা হয়। নিজের বক্তব্যের সপক্ষে বিধানসভায় সোনালি বিবির প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি।


স্রেফ বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ এদেশেরই বৈধ নাগরিক, গর্ভবতী যুবতী সোনালিকে দেশের সীমানা পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে ছিল তাঁর আট বছরের সন্তানও। এই চরম অমানবিক ও অদ্ভুত অভিজ্ঞতার পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও মানবিক বিবেচনায় ভারত সরকার তাঁদের ফিরিয়ে আনে।

এ দিন পুশ-ব্যাক বিতর্কের পাশাপাশি নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের ডোমকলে একটি নতুন আইটিআই কলেজ তৈরিরও প্রস্তাব দেন এই বাম বিধায়ক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করেন ডোমকলের এই বিধায়ক।

Post a Comment

0 Comments