বিজন সেতু: ১৭ সাধু হত্যার ৪৪ বছর পালন আনন্দমার্গীদের

বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: ৪৪ বছর আগে এই দিনে বিজন সেতুর উপর হত্যা করা হয়েছিল আনন্দ মার্কেটে ১৭ জন সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীকে। হত্যার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। নিহতদের একজন ছিলেন‌ সন্ন্যাসিনী। ১৯৮২ সালের ৩০ এপ্রিল তিলজলায় ওই সংগঠনের এক সম্মেলনে যোগ দিতে ট্যাক্সি করে যাচ্ছিলেন ১৬ জন‌ সন্ন্যাসী ও এক সন্ন্যাসিনী। অভিযোগ সকাল ৯'টা নাগাদ বিজন সেতুর ওপর ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে তাদের পিটিয়ে হত্যার পর দেহগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল। নিহত সন্ন্যাসীদের স্মরণে সেই থেকে আনন্দমার্গীরা বছরে একদিন শহরে মিছিল করে। সেই মিছিল হয় আজ।

বিজন সেতুর ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ওঠায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিলেন। কিন্তু আনন্দমার্গীরা নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ তুলে ওই কমিশন বয়কট করে। বহু বছর পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওই হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত শুরু করে। তবে সেই তদন্ত বেশি দূরে এগোয়নি। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরের বছর আনন্দমাগী হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেন। অভিযুক্ত কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের সহ বেশ কয়েকজনকে নতুন কমিশন ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও বিচারবিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি।

Post a Comment

0 Comments