বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নির্বাচনী জনসভা থেকে মনিরুল ইসলামকে সাসপেনশনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নেত্রীর কথা শিরোধার্য করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন ফরাক্কার বিদায়ী বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। সোমবার তিনি জানিয়ে দিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আলাদা করে নির্বাচন লড়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ফরাক্কার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আমিরুল ইসলামের হয়ে তিনি ভোট প্রচারে নামবেন সেই কথাও জানিয়ে দিলেন এ দিন।
দলবিরোধী কোনরকম কাজ করলে সেই যত বড় নেতাই হোক তাঁকে রেয়াত করবে না তৃণমূল কংগ্রেস। ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলামের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হল না। দলের বিরুদ্ধে গিয়ে ফরাক্কা থেকে মনোনয়ন পেশ করেছিলেন মনিরুল। তাঁকে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের অনুরোধ করার পাশাপাশি দলনেত্রী তাঁকে সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছিলেন। বলেছিলেন, ”ফরাক্কার বিধায়ককে বলছি, শুনেছি তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আমি তাঁকে বলছি ওটা প্রত্যাহার করে নিতে। না করলে জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি খলিলুর রহমানকে বলছি, দল থেকে ওকে বহিষ্কার করতে।”
জানা গিয়েছে, দলের কাছে তিনি দাগি। এসআইআর আবহে বেছে বেছে মুসলিমদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বিডিও অফিস এ তান্ডব চালান বলে খবর হয়। তারপর দলের সাথে কিছুটা দুরুত্ব তৈরি হয়।

0 Comments