বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: বিগত এক দশক ধরে শিক্ষা দীক্ষায় অনেকটা এগোচ্ছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা। প্রথাগত উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সফলতার ছাপ রাখছে অনেকেই। তুলনামূলক অপরিচিত কিন্তু উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে কৃষির সর্বভারতীয় পরীক্ষায় চমকপ্রদক ফল করেছে সাকিফা।জানা গিয়েছে, সর্বভারতীয় আইসিএআর এআইইইএ পিজি (জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ) পরীক্ষায় দেশে ৩৬ তম স্থান দখল করেছে হুগলির খানাকুলের উদনা গ্রামের সাকিফা কায়েনাত। প্রত্যন্ত গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবারের মেয়ে সাকিফার নজরকাড়া সাফল্যে খুশির আবহ তাঁর পরিবার সহ এলাকাবাসী। ফল প্রকাশের পরেই স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হচ্ছে।
![]() |
| ফাইল ছবি |
সাকিফার পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোট থেকেই লেখাপড়ায় অত্যন্ত মেধাবি সাকিফা খলতপুর আল-আমিন মিশন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এরপর ডায়মন্ড হারবারের দ্য নেওটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এগ্রিকালচার প্ল্যান্ট সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করেন। চলতি বছর গত জুলাই মাসে সাকিফা সর্বভারতীয় স্তরে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পরীক্ষা দেন। চলতি মাসে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় সাকিফা গোটা দেশে জেনারেল ক্যাটাগরিতে ৩৬ তম স্থান দখল করেছেন। সাকিফা জানান, সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের পরীক্ষা দিয়ে আরও ভালো ফলাফল করে আগামী দিনে এগ্রিকালচার রিসার্চ সাইন্টিস্ট হিসাবে গবেষণা করতে চান।
জানা গিয়েছে, সাকিফার বাবা শেখ শাখাউদ্দিন চৌধুরী কলকাতার লেদার কমপ্লেক্সের কর্মী। মা গৃহবধূ। লেখাপড়ায় বাবা-মা, নানা-নানির অনুপ্রেরণা নিয়েই এমন নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছেন বলে জানান সাকিফা। নাতনি সাকিফার সাফল্যে গর্বিত তাঁর দাদু সৈয়দ আব্দুল্লাহি বাকী।

0 Comments