শীঘ্রই স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফল প্রকাশ করবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য

বেঙ্গল মিরর প্রতিবেদন: করোনা সংক্রমণে গোটা দুনিয়া জেরবার হলেও বিকল্প পদ্ধতি মেনে নির্বিঘ্নে মিটেছে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের বিজোড় সেমেস্টারগুলির পরীক্ষা। তাই দ্রুত ফল প্রকাশ করতে চেষ্টা করবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এমনটাই খবর। 

জানা গিয়েছে, লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রতিটি পরীক্ষার দিন থেকে ২১ দিনের মধ্যে নম্বর জমা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পরীক্ষকদের। এমনই জানিয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। 

প্রসঙ্গত, ৮ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের বিজোড় সেমেস্টারগুলির পরীক্ষা হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় অধীনস্থ ১৫৩টি কলেজে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরের বিভাগ রয়েছে ৬৮ টি। পড়ুয়াদের অনলাইনে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর তাতে বাড়িতে বসেই পরীক্ষা দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। কোরোনা আবহে গত বছর অক্টোবর মাসে একই পদ্ধতিতে হয়েছিল চূড়ান্ত সেমেস্টারের পরীক্ষা । কিন্তু, সেই সময় একাধিক ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু, এবার আর সেই সমস্যার সম্মুখীন হননি পরীক্ষার্থীরা। গোটা পরীক্ষাটাই নির্বিঘ্নে মিটেছে বলে দাবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইউজিসি-র গাইডলাইন মেনে  ৮ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত আমাদের পরীক্ষা হল। কোনও বিশ্ববিদ্যালয় পারেনি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় করে ফেলল। যাবতীয় বিজোড় সিমেস্টারের পরীক্ষা, স্নাতকের ক্ষেত্রে প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম এবং স্নাতকোত্তরের ক্ষেত্রে প্রথম ও তৃতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা হয়েছে। পুরো পরীক্ষাটাই সুষ্ঠুভাবে হয়েছে ।সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার পিছনে সহ-উপাচার্য আশীষ চট্টোপাধ্যায় ও লাইব্রেরিয়ানের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন উপাচার্য। 

তিনি বলেন, "সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) খুবই সুষ্ঠুভাবে কাজটা করেছেন । লাইব্রেরিয়ান প্রশ্নপত্র  সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "পরীক্ষাটা শেষ হয়ে গেছে । এবার যেমন নম্বর জমা পড়বে সেভাবে আমরা রেজাল্ট বের করে দেব। আমরা বলেছি, যেদিন যেদিন পরীক্ষা হয়েছে সেই দিন থেকে ২১ দিনের মধ্যে পরীক্ষকদের নম্বর জমা দিতে হবে। সবাই ঠিক সময় মতো নম্বর জমা দিলে আমরা রেজাল্টও ঠিক সময়ে প্রকাশ করে দিতে পারব। নম্বর জমা করার পরে ফল প্রকাশের যে প্রক্রিয়া রয়েছে সেটা সম্পূর্ণ করতে একটু সময় লাগবে। ২৬ মার্চ পরীক্ষা শেষ হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ হলে ফল প্রকাশ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে হতে পারে।"

Post a comment

0 Comments