নয়া একগুচ্ছ পরিষেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এবার বিএসএনএল–এর লোগোতেও গেরুয়াকরণ

বেঙ্গল মিরর ডেস্ক: ধীরে ধীরে পালটে যাবে সরকারি মালিকানাধীন টেলিকম সংস্থা বিসএনএল। চালু হবে নানান নয়া পরিষেবা। এমনই ঘোষণা দিয়ে এবার সরকারি টেলিকম অপারেটর সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড বা বিএসএনএল সম্প্রতি তাদের নতুন লোগো প্রকাশ করেছে। টেলিকম সংস্থার বক্তব্য অনুসারে এই লোগোটি আদতে বিশ্বাস, শক্তি এবং সারা দেশব্যাপী বিস্তৃতির পরিচায়ক। দেশে ৪জি নেটওয়ার্ক শুরু করার আগে এই টেলিকম অপারেটর সংস্থা আরও ৭টি নতুন পরিষেবা  নিয়ে এল গ্রাহকদের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে স্প্যাম ব্লকিং সিস্টেম, ওয়াইফাই রোমিং, ইন্টারনেট টিভি, ডিরেক্ট টু ডিভাইস ইত্যাদি পরিষেবাও। তবে এর আগে জাতীয় টিভি চ্যানেল দূরদর্শনের মতো বিসএনএল–এর লোগোতেও লেগেছে গেরুয়া রঙ। শুধু রাই নয়, আগে ট্যাগ–লাইন ছিল কানেক্টিং ইন্ডিয়া বর্তমানে লেখা হয়েছে কানেক্টিং ভারত। আগে অভিযোগ উঠেছিল এভাবে নাম বদলাতে বদলাতে দেশকে বিশেষ দিকে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র।

জানা গিয়েছে নয়া পরিষেবায় থাকছে ফাইবার ইন্টারনেট। বিএসএনএল সম্প্রতি লঞ্চ করেছে দেশব্যাপী ওয়াইফাই রোমিং পরিষেবা, শুধুমাত্র ফাইবার ইন্টারনেটের গ্রাহকদের জন্য। এখন থেকে এই গ্রাহকরা বিএসএনএল হটস্পটের মাধ্যমে কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই দ্রুতগতির ইন্টারনেট পরিষেবা পেয়ে যাবেন। নতুন একটি ফাইবার-বেসড টিভি সার্ভিস শুরু করেছে বিএসএনএল। যাতে ৫০০টিরও বেশি লাইভ টিভি চ্যানেল রয়েছে। কোনও অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই এই সমস্ত সুবিধে পাবেন ফাইবার গ্রাহকরা।

এখানেই শেষ নয়, সিমকার্ড আপগ্রেড ও কেনার জন্য চালু হবে কিয়স্ক।অটোমেটেড কিয়স্ক চালু করেছে এই সংস্থা যেগুলির মাধ্যমে সারা দিন রাত যখন খুশি গ্রাহকরা নিজেদের জন্য সিমকার্ড কিনতে ও আপগ্রেড করাতে পারবে। দেশের মধ্যে প্রথম হবে এটা। ভারতের প্রথম ডিরেক্ট টু ডিভাইস পরিষেবা চালু করেছে বিএসএনএল। এর মাধ্যমে স্যাটেলাইট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক মিশে গিয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক ছাড়াই যাতে ফোন করা যায় তাই এই পরিষেবা নিয়ে এসেছে বিএসএনএল। এয়ারটেলের মত এবার বিএসএনএলও স্প্যাম ব্লকিং সুবিধে নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে ফোনে আসা স্প্যাম কল, মেসেজ, সন্দেহজনক কিছু আপনা থেকেই ব্লক হয়ে যাবে। এছাড়াও বিএসএনএল একটি প্রাইভেট ৫জি নেটওয়ার্ক পরিষেবা শুরু করেছে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য, এমনকী মাইনিং অপারেশনের জন্যও এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাওয়া যাবে মাটির নিচে এবং গভীর খনির ভিতরেও।

Post a Comment

0 Comments